মেদিনীপুর শহরের উপকণ্ঠে ৩৫ টি হাতির আতঙ্কে আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা
দি নিউজ লায়ন ; নতুন করে হাতির পাল চলে আসায় আতঙ্ক ছড়ালো পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর সদর ব্লকের অন্তর্গত কনকাবতী অঞ্চল এলাকায়। প্রায় ৩৫ টি হাতি আচমকা দশমীর দিন বিকালে হাজির হয় ওই অঞ্চলের বাগডুবি এলাকায়। যার ফলে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা।
যেকোনো সময়ই হাতির দল মেদিনীপুর পৌরসভার ২৪ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। মেদিনীপুর শহরের উপকণ্ঠে বাগডুবি এলাকায় হাতির পাল ঢুকে পড়লেও বন বিভাগের কোনো হেলদোল নেই ।স্থানীয় বাসিন্দারা বনদপ্তর এর কাছে দ্রুত হাতিগুলিকে ওই এলাকা থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছেন।
এছাড়াও মেদিনীপুর সদর ব্লকের চাঁদড়া, কঙ্কাবতী,মনিদহ সহ বিভিন্ন গ্রামে হাতি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সেই সঙ্গে নষ্ট করে দিচ্ছে সবজি ক্ষেত, নষ্ট করে দিচ্ছে মাঠে থাকা পাকধান হাতির দল। তাই বিপাকে পড়েছেন ওই এলাকার গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীরা হাতিগুলিকে জঙ্গলের দিকে তাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে বন দফতরের পক্ষ থেকে ওই এলাকার প্রতিটি মানুষকে সচেতন থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যাতে কেউ হাতিকে বিরক্ত না করে তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে যাদের ফসলের ক্ষতি করেছে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।সেই সঙ্গে হাতির গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়েছে বলে বন দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তবে গ্রামবাসীরাদের বক্তব্য বন দফতর কবে ক্ষতিপূরণ দিবে তার কোন ঠিক নেই আর যে ক্ষতিপূরণ দিবে তা অতি সামান্য। তাই ক্ষতিপূরণের চেয়ে হাতিগুলিকে দ্রুত তাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। তাই চিন্তার ভাঁজ কপালে পড়েছে এলাকার বাসিন্দাদের।
এখন মাঠ থেকে ঘরে পাকা ধান তোলার সময় সেই সময় হাতি এসে মাঠের পাকা ধান মাঠেই নষ্ট করে দিচ্ছে। তাই ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা ।তবে বন দফতরের পক্ষ থেকে এলাকার মানুষকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
লাগাতার মাইকিং করে সচেতনতা মূলক প্রচার করা হচ্ছে। কেউ জঙ্গলে যাবে না সন্ধের পর একা একা জঙ্গলের রাস্তায় যাতায়াত করবেন না। তা সত্ত্বেও হাতির হামলার আশঙ্কায় আতংকের মধ্যে রয়েছেন মেদিনীপুর সদর ব্লকের জঙ্গল লাগোয়া গ্রামগুলির বাসিন্দারা।

Post a Comment